পীতজ্বর

পীতজ্বর
YellowFeverVirus.jpg
একটি পীতজ্বর ভাইরাসের ট্রান্সমিশন ইলেকট্রন মাইক্রোস্কপিক চিত্র। (234,000X magnification)
শ্রেণীবিভাগ এবং বহিঃস্থ সম্পদ
সমার্থকশব্দyellow jack, yellow plague,[১] bronze john[২]
বিশিষ্টতাসংক্রামক ব্যাধি
আইসিডি-১০A৯৫
আইসিডি-৯-সিএম০৬০
ডিজিসেসডিবি১৪২০৩
মেডলাইনপ্লাস০০১৩৬৫
ইমেডিসিনmed/2432 emerg/৬৪৫
মেএসএইচD০১৫০০৪ (ইংরেজি)


পীতজ্বর (ইংরেজি: Yellow fever) বা ইয়েলো ফিভার একটি ভাইরাসঘটিত রোগ।[৩] অধিকাংশ ক্ষেত্রে লক্ষণসমূহ হলো জ্বর, ক্ষুধামন্দা, বমিভাব, মাংসপেশিতে ব্যথা (বিশেষ করে পিঠে), ও মাথাব্যথা[৩] লক্ষণগুলো সাধারণত পাঁচ দিনের মধ্যে সেরে যায়।[৩] কারো কারো ক্ষেত্রে লক্ষণগুলো উন্নতি হওয়ার একদিনের মধ্যে পুনরায় জ্বর হতে পারে, পেটব্যথা শুরু হয় ও যকৃৎ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জন্ডিস হতে পারে ও শরীর হলুদ হয়ে যায়। এইজন্য এই রোগের নাম পীতজ্বর রাখা হয়েছে।[৩] জন্ডিস হলে রোগীর রক্তক্ষরণ ও কিডনি ফেইলিওরের সম্ভাবনা বাড়ে।[৩]

যে ভাইরাসের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায় তা ইয়েলো ফিভার ভাইরাস নামে পরিচিত। [৩] Aedes aegypti প্রজাতির মশা এই ভাইরাসের বাহক।[৩] এটি ফ্ল্যাভিভাইরাস গণের অন্তর্ভুক্ত একটি আরএনএ ভাইরাস।[৪] প্রাথমিক অবস্থায় অন্যান্য রোগ থেকে এটাকে পৃথক করা কঠিন।[৩] এই ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে রক্ত নমুনা নিয়ে পলিমারেজ চেইন রিয়াকশন নামক পরীক্ষা করতে হয়।[৫]

এই রোগ প্রতিরোধের জন্য কার্যকর ও নিরাপদ টিকা বিদ্যমান।[৩] টিকার পাশাপাশি বাহক মশার বংশবৃদ্ধি ব্যাহত করতে হবে।[৩] যেসব এলাকায় পীতজ্বর হয় কিন্তু টিকার ব্যবস্থা নাই সেখানে মহামারী ঠেকানোর জন্য প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয় ও টিকাদানের ব্যবস্থা করা খুব জরুরি।[৩] উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা প্রদান করতে হয়, সুনির্দিষ্ট কার্যকর কোনো অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই।[৩][৬]

প্রতিবছর দুই লক্ষ লোক পীতজ্বরে আক্রান্ত হয় ও প্রায় ত্রিশ হাজার মৃত্যুবরণ করে।[৩] প্রায় নব্বই শতাংশ রোগীই আফ্রিকার[৩][৫] দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এলাকায় এই রোগের প্রাদুর্ভাব অনেক বেশি হলেও এশিয়াতে খুব একটা দেখা যায় না।[৩][৭] ১৯৮০ সাল থেকে পীতজ্বর রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।[৩][৮] এর জন্য জলবায়ুর পরিবর্তন, লোকজনের অধিক ভ্রমণ, শহরে বসবাসের প্রবণতা ও পর্যাপ্ত টিকার ব্যবস্থা না থাকাকে দায়ী করা হয়। সপ্তদশ শতাব্দীতে দাস বাণিজ্যের ফলে এই রোগ আফ্রিকা থেকে দক্ষিণ আমেরিকায় ছড়িয়ে যায়।[১] সপ্তদশ শতাব্দী থেকে আমেরিকা, আফ্রিকা ও ইউরোপে বেশ কয়েকবার মহামারী দেখা দেয়।[১] অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীতে পীতজ্বরকে অন্যতম ভয়ানক সংক্রামক ব্যাধি হিসেবে গণ্য করা হত।[১] ১৯২৭ সালে সকল ভাইরাসের মধ্যে ইয়েলো ফিভার ভাইরাসকেই প্রথমবারের মতো পৃথক করা সম্ভব হয়েছিল।[৪][৯]

উপসর্গ

পীতজ্বরের সুপ্তাবস্থা তিন থেকে ছয় দিন।[১০] অধিকাংশ ক্ষেত্রে লক্ষণসমূহ হলো জ্বর, ক্ষুধামন্দা, বমিভাব বা বমি, মাংসপেশিতে ব্যথা (বিশেষ করে পিঠে), পেটব্যথা, ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও জন্ডিস।[১১]

Other Languages
Afrikaans: Geelkoors
العربية: حمى صفراء
asturianu: Fiebre mariello
azərbaycanca: Sarı qızdırma
беларуская: Жоўтая ліхаманка
български: Жълта треска
bosanski: Žuta groznica
català: Febre groga
čeština: Žlutá zimnice
dansk: Gul feber
Deutsch: Gelbfieber
Thuɔŋjäŋ: Tööc
ދިވެހިބަސް: ރީނދޫ ހުން
English: Yellow fever
Esperanto: Flava febro
español: Fiebre amarilla
euskara: Sukar hori
فارسی: تب زرد
suomi: Keltakuume
français: Fièvre jaune
Gaeilge: Fiabhras buí
हिन्दी: पीतज्वर
hrvatski: Žuta groznica
Kreyòl ayisyen: Lafyèv jòn
magyar: Sárgaláz
Հայերեն: Դեղին տենդ
Bahasa Indonesia: Demam kuning
italiano: Febbre gialla
日本語: 黄熱
ಕನ್ನಡ: ಕಾಮಾಲೆ
한국어: 황열
Luganda: Enkaka
lingála: Fièvre jaune
македонски: Жолта треска
മലയാളം: മഞ്ഞപ്പനി
Bahasa Melayu: Demam kuning dewasa
Nederlands: Gele koorts
norsk: Gulfeber
ଓଡ଼ିଆ: ପୀତ ଜ୍ୱର
português: Febre amarela
Runa Simi: Fiebre amarilla
română: Febră galbenă
srpskohrvatski / српскохрватски: Žuta groznica
Simple English: Yellow fever
slovenščina: Rumena mrzlica
српски / srpski: Žuta groznica
svenska: Gula febern
Kiswahili: Homa ya manjano
ትግርኛ: ብጫ ረስኒ
Türkçe: Sarıhumma
українська: Жовта гарячка
اردو: زرد بخار
Tiếng Việt: Sốt vàng
中文: 黄热病
粵語: 黃熱病