ইকুয়েডর জাতীয় ফুটবল দল

ইকুয়েডর
শার্ট ব্যাজ/অ্যাসোসিয়েশন কুলচিহ্ন
ডাকনাম(সমূহ)La Tri (Tri-color)
অ্যাসোসিয়েশন (FEF)
কনফেডারেশনকনমেবল (দক্ষিণ আমেরিকা)
প্রধান কোচরিনাল্দো রুয়েদা
অধিনায়কঅ্যান্টোনিও ভ্যালেন্সিয়া
সর্বাধিক ম্যাচ খেলা খেলোয়াড়ইভান হুর্তাদো (১৬৭)
শীর্ষ গোলদাতাঅগাস্তিন দেলগাদো (৩১)
স্বাগতিক স্টেডিয়ামএস্তাদিও অলিম্পিকো আতাহুয়ালপা, কিটো
ফিফা কোডECU
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান২৮ হ্রাস
সর্বোচ্চ১০ (এপ্রিল ২০১৩)
সর্বনিম্ন৭৬ (জুন ১৯৯৫)
এলো র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান১৪ বৃদ্ধি
সর্বোচ্চ১১ (২৭ মার্চ ২০১৩)
সর্বনিম্ন১১১ (ডিসেম্বর ১৯৫৯)
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 বলিভিয়া ১-১ ইকুয়েডর ইকুয়েডর
(বোগোতা, কলম্বিয়া; ৮ আগস্ট, ১৯৩৮)
বৃহত্তম জয়
ইকুয়েডর ইকুয়েডর ৬-০ পেরু 
(কিটো, ইকুয়েডর; ২২ জুন, ১৯৭৫)
বৃহত্তম হার
 আর্জেন্টিনা ১২-০ ইকুয়েডর ইকুয়েডর
(মন্তেভিডিও, উরুগুয়ে; ২২ জানুয়ারি, ১৯৪২)
বিশ্বকাপ
উপস্থিতি৩ (প্রথম ২০০২)
সেরা সাফল্য১৬ দলের রাউন্ড (২০০৬)
কোপা আমেরিকা
উপস্থিতি২৪ (প্রথম ১৯৩৯)
সেরা সাফল্যচতুর্থ স্থান (১৯৫৯, ১৯৯৩)
কনকাকাফ গোল্ড কাপ
উপস্থিতি১ (প্রথম ২০০২)
Best resultগ্রুপ পর্ব (২০০২

ইকুয়েডর জাতীয় ফুটবল দল আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতায় ইকুয়েডরের প্রতিনিধিত্বকারী ফুটবল দল। ইকুয়েডরিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (ফেদারেশিও ইকুয়াতোরিয়ানা দ্য ফুতবল - এফইএফ) কর্তৃক ইকুয়েডর দল পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। রাজধানী কিটো’র এস্তাদিও অলিম্পিকো আতাহুয়ালপা স্টেডিয়ামে নিজ দেশের খেলাগুলোর আনুষ্ঠানিক মাঠ। লা ত্রাই ডাকণামে এ দলটি পরিচিত যা অর্থ দাঁড়ায় তিন রঙ। দলটি ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনবার (২০০২, ২০০৬২০১৪) অংশগ্রহণ করেছে। তন্মধ্যে ২০০৬ সালে দ্বিতীয় পর্বে ১৬ দলের রাউন্ডে প্রবেশ করতে পেরেছে। কিন্তু ইংল্যান্ডের কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয় ইকুয়েডর দল। দক্ষিণ আমেরিকার চিলি ও ভেনেজুয়েলার সাথে তারাও এ পর্যন্ত কোপা আমেরিকা কাপ জয় করতে পারেনি। মহাদেশীয় এ প্রতিযোগিতায় তাদের সেরা সাফল্য হচ্ছে ১৯৫৯ ও ১৯৯৩ সালে চতুর্থ স্থান অর্জন করা যা নিজ দেশের মাটিতে অণুষ্ঠিত হয়েছিল।

ইতিহাস

ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণে ইকুয়েডর দক্ষিণ আমেরিকার সর্বাপেক্ষা দুর্বল ফুটবল দেশ হিসেবে পরিচিত। অতীতের অনিয়মিত অংশগ্রহণ স্বত্ত্বেও তাদের মধ্যে যোগ্যতার ঘাটতি ছিল না। ইকুয়েডরের ফুটবল খেলার বেশ অভিজ্ঞতা রয়েছে বিশেষ করে পর্তুগালের বিপক্ষে দলটি ৩-২ গোলের ব্যবধানে জয়ের রেকর্ডও রয়েছে। উরুগুয়েতে অণুষ্ঠিত ১৯৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করে ১৯৬২ সালের ফিফা বিশ্বকাপে বাছাইপর্বে অংশ নেয় ইকুয়েডর। কিন্তু আর্জেন্টিনার কাছে পরাজিত হয়। কিন্তু ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে স্বাগতিক ও তৃতীয় স্থানের অধিকারী চিলি, দুর্বল দল কলম্বিয়ার বিপক্ষে ভাল খেলে যা দলের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা শক্তিধর দলরূপে পরিচিতি পায়। ওয়াশিংটন মানোজ, আলবার্তো স্পেন্সার, কার্লোস আলবার্তো রাফো, এনরিক রেমন্ডি, জর্জ বোলানোজের ন্যায় তারকা খেলোয়াড় নিয়ে গড়া ইকুয়েডর দল পেরুতে চিলির বিপক্ষে স্থান নির্ধারিত খেলায় অংশ নিয়ে পরাজিত হয়। ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে জোস ভলাফুয়ের্তের ন্যায় প্রথীতযশা খেলোয়াড় দলে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

Other Languages
беларуская (тарашкевіца)‎: Зборная Эквадору па футболе